Menu

Mokarrom Master Abu Bakar Akand Sahib’s Faith Inspiring Life

বাংলা

মোকাররম মাস্টার আবু বকর আকন্দ সাহেব ১৯৪৮ সালের ২৫শে ডিসেম্বর টাঙ্গাইল জেলার চানতারা গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন এবং ১৯৭৬ সালে আহমদীয়াত গ্রহণের সৌভাগ্য লাভ করেন। তিনি চানতারা হাইস্কুলের প্রতিষ্ঠাতা ও হেড মাস্টার ছিলেন। বয়াত গ্রহণের পূর্বে তিনি মসীহ মাউদ (আ.) কে স্বপ্নে দেখেন। একবার এক আহমদী পরিবারের বাসায় হযরত মসীহ মাউদ (আ) এর ছবি দেখে তিনি জিজ্ঞাসা করেন, ছবির এই পুণ্যবান মানুষটি কে? তাঁকে বলা হল এই ছবিটি হযরত ইমাম মাহদী (আ) এর। মোকাররম মাস্টার আবু বকর আকন্দ সাহেব বলেন, আমিতো এনাকেই আমার স্বপ্নে দেখেছি। এরপর তিনি ঢাকাতে আহমদীয়া মুসলিম জামাতের কেন্দ্রে যোগাযোগ করেন। আহমদীয়াত সম্পর্কে বিস্তর পড়াশোনা করে কয়েকমাস পর বয়াত গ্রহণ করেন এবং চানতারাতে জামাত প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি চানতারা জামাতের প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট ছিলেন।

তাঁর ঐকান্তিক প্রচেষ্টা এবং দোয়ায় আল্লাহর ফজলে প্রায় ১০০ জন মানুষ বয়াত গ্রহনের সৌভাগ্য লাভ করেন। ১৯৮৬-৮৮ সাল পর্যন্ত তিনি ও তাঁর পরিবার চানতারাতে অনেক মোখালেফাতের সম্মুখীন হয়েছেন। আহমদী বিরোধীরা তাঁকে হত্যা করার হুমকিও দেয় সে সময়। এ দুই বছর তিনি বেশীরভাগ সময় নিজ বাসা তথা গ্রামের বাইরে থেকেছেন। স্থানীয় আহমদী ও তাঁর নিরাপত্তার জন্য স্থানীয় থানায় মামলা করেন, কিন্তু আহমদী বিরোধীরা এত বেশী শক্তিশালী ছিল যে আহমদীদের নিরাপত্তা দেয়ার বদলে তাঁকে সহ আরো ৪ জন আহমদীকেই পুলিশ গ্রেপ্তার করে। তাঁকে কয়েকমাস যাবত কারাগারে আহমদীয়াতের কারণে বন্দী করে রাখা হয়; এর মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশের ‘আসিরানে রাহে-মাওলা’ হওয়ার সৌভাগ্য লাভ করেন।

এরপর বাংলাদেশের প্রয়াত ন্যাশনাল আমীর মোহতরম মোস্তফা আলী সাহেব তাঁকে আহমদীয়া মুসলিম জামাত বাংলাদেশের ‘ন্যাশনাল একাউন্টেন্ট’ হিসেবে চাকরিতে নিয়োগ দেন। এরপর থেকেই তিনি ঢাকায় তাঁর স্ত্রী এবং ৩ সন্তানসহ বসবাস করছিলেন।

১৯৯২ সালে উগ্র বিরুদ্ধবাদীরা ঢাকার বকশীবাজারে আহমদীয়া মুসলিম জামাতের কেন্দ্রে আক্রমন করে, এ সময় বিরুদ্ধবাদীরা মোকাররম মাস্টার আবু বকর আকন্দ সাহেবকে মেরে রক্তাক্ত করে ফেলে যার ফলে তাঁকে হাসপাতালে অনেকদিন থাকতে হয়েছিল। ওই ঘটনার পর থেকে তাঁর শরীর একদম ভেঙ্গে যায় এবং ক্রমেই তা খারাপের দিকে যেতে থাকে।

মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি দাঈ-ইলাল্লাহ ছিলেন; যেখানেই যেতেন তবলীগ করতেন। ২৩ অক্টোবর ২০১৭ সকাল ১০.১৫ মিনিটে তিনি নিজ গৃহে ৬৯ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন, ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন। মরহুম একজন মুসী ছিলেন; তিনি স্ত্রী, তিন ছেলে, তিন পুত্রবধু এবং চার জন নাতি-নাতনি রেখে গেছেন।

তাঁর কনিষ্ঠ পুত্র মোকাররম মাহমুদ আহমদ বর্তমানে (২০১৫-২০১৭) সদর, মজলিস খোদ্দামুল আহমদীয়া, বাংলাদেশ হিসেবে খেদমত করছেন, তাঁর দ্বিতীয় পুত্র মোকাররম মুহাম্মদ আব্দুল মোমেন মজলিস খোদ্দামুল আহমদীয়া, বাংলাদেশের সদর হিসেবে ২০১১-২০১৫ সাল পর্যন্ত খেদমত করার সৌভাগ্য লাভ করেছেন, বর্তমানে আমেরিকাতে বসবাস করছেন। বড় ছেলে মোকাররম সুলতান আহমদ একজন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার, বর্তমানে বেলজিয়ামে বসবাস করছেন। সুলতান আহমদ সাহেব এম.টি.এ বাংলা লন্ডন স্টুডিওতে ২০০২-২০০৬ পর্যন্ত খেদমত করছেন। আহমদীয়াতের প্রতি অগাধ ভালবাসা ও ত্যাগের প্রতিদানে এভাবেই মহান আল্লাহতালা মরহুমের পরবর্তী প্রজন্মকে পুরষ্কারে ভূষিত করেছেন। মরহুমের জন্য দোয়ার অনুরোধ রইল, মহান আল্লাহতালা যেন তাঁকে জান্নাতুল ফিরদাউসে অধিষ্ঠিত করেন, আমীন। সুম্মা আমীন।

English

Mokarram Master Abu Bakar Akand was born in 25th december 1948 at Chantara village in Tangail disrtict and accepted ahmadiyyat in 1976. He was the founder and headmaster of chantara high school.Before taking bai’at he saw Hazrat Masih Maud (AS) in a dream. Once visiting an ahmadi family in another city, he saw the photo of Hazrat Masih Maud (AS) and asked the house owner who that person is? He was told that this is the photo of Imam Mahdi and the promised massih (AS). He said I saw this man in my dream. Afterward he contacted the national headquarter in Dhaka and after extensive study for several months he took bai’yat and established a new jamat in chantara, and he was it’s first President.

Due to his effort and prayer about a 100 bai’at took place. In 1986-1988, chantara jamat faced severe persecution, anti-ahmadi wanted to kill my father and during this two years he stayed most of the time outside of home & village. He filed a case to the police for safety of all ahamdies but anti-ahmadies were so powerful instead of providing needed safety to ahmadies, police arrested him along with four more ahmadies and he was in jail for several months; thus he became an Aserane-Rahe Maula in Bangladesh.

Later Amir Sahib Bangladesh Mohtaram Mostofa Ali offered him the job of national accountant of Ahmadiyya muslim jamat Bangladesh. Since then he was living in Dhaka with his wife and three children. In 1992 several hundred mullahs attacked our national head quarter in Dhaka and the attackers beat the deceased severly, he was hospitalized for several days. But after that incident his health condition was deteriorating.

He was a dai’illallah till the end of his life; he used to do tabligh wherever he went. He passed away 23rd October 2017, at 1015 am he was 69 years old, Innalillahi wa lnnailaihi razeun.

Deceased was a musih (wasiyyat), he left his wife, three sons, three daughter in laws and four grandchildren behind. His youngest son Mokaram Mahmud Ahmad is the current Sadr (2015-2017) Majlis of Khuddamul Ahmadiyya Bangladesh, His second son Mokarram Muhammad Abdul Momen has served as Sadr Majlis Khuddam Bangladesh from 2011-2015 now living in the USA, his eldest son Mokarram Sultan Ahmad is a Mechanical Engineer living in Belgium, he had worked for MTA Bangla UK from 2002 to 2006.

This is how Allah has rewarded his next generation for the sacrifice of ahmadiyyat. Please pray his demise soul. May grant him in the highest rank of paradise, Ameen. Summa Amin.