Menu

সানাত-ও-তেজারাত

সংক্ষেপে সানাত-ও-তেজারাত (Employment, Career, Mentorship) বিভাগের দায়িত্বঃ

১) আহমদী যুবকদের ও বেকারত্ব দূর করার চেষ্টা করুন। এই আঙ্গিকে নিম্নবর্ণিত বিষয়ের প্রতি গুরুত্ব দিন-
ক) তাদের মধ্যে কম সাহসের কারনে ক্লার্ক হয়ে বসে থাকার প্রবণতাকে দূর করুন।
খ) বরং কারিগরীর মত সম্মানিত পেশার হারানো গৌরবকে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তাদেরকে কামার, দর্জি, কাঠ মিস্ত্রি, ইলেক্ট্রিশিয়ানের কাজ শিখার জন্য উৎসাহিত করুন।
গ) এছাড়া তাদেরকে ব্যবসার পেশা গ্রহনের জন্য আগ্রহী করুন।
ঘ) বিশেষ করে ছাত্রদেরকে টেকনিকেল প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষন লাভের উপদেশ দিতে থাকুন।
ঙ) এভাবে গ্রামে বসবাসকারী যুবকদের কৃষি, পোল্ট্রি ফার্ম, মৎস্য চাষ, নার্সারী ইত্যাদি কাজের কোর্স করানো হোক।
চ) আর যার নিকট পর্যাপ্ত জমি নেই (উদাহরণ স্বরূপ জমি কম এবং কাজের লোক বেশি) তাদের ঘর থেকে বেড়িয়ে অন্য কাজ করার উৎসাহ প্রদান করুন।
২) প্রত্যেক খাদেম নিজের পেশা ছাড়াও কমপক্ষে একটি অতিরিক্ত কাজে যেন দক্ষতা অর্জন করে। আর নিজের আয় বৃদ্ধি করে নিজে উপকৃত হয়। এবং চাঁদা বৃদ্ধি করে।
৩) কারিগরী বিদ্যা যে খাদেম জানে সে যেন প্রতি বছর কমপক্ষে একজনকে নিজের এ বিদ্যা বিনামূল্যে শিখায়।
৪ ) বড় মজলিস সমূহ নিজ নিজ জায়গায় শিল্প ও কারিগরী শিক্ষার প্রতিষ্ঠান চেষ্টা করুন।
৫ ) জেলা পর্যায়ে একটি ইন্টারভিউ কমিটি প্রতিষ্ঠা করা হোক। যাতে নাযেম সানাত ও তেজারাত এবং বিভিন্ন পেশার সাথে সম্পৃক্ত দক্ষ ব্যক্তিরা থাকবেন। এই কমিটির সদস্যদের অনুসারে মিটিং করে বেকার খোদ্দামের ইন্টারভিউ নিয়ে তার উপযোগী পেশা ও জীবিকা নির্ধারন করে দিবে। ইন্টারভিউ কমিটির নিকট বিভিন্ন কর্মসংস্থানের তথ্য একত্রিত থাকবে। কায়েদ সাহেবান তাদের এলাকায় বিদ্যমান কর্মস্থানের বিস্তারিত বিবরণ পৌঁছানো যায়।
৬ ) বাৎসরিক ইজতেমার সময় খোদ্দামদের নিজ হাতে তৈরি জিনিষপত্রের প্রদর্শনী এবং বিক্রির ব্যবস্থাও করা হবে যাতে অন্য খোদ্দামদের মাঝে আগ্রহ সৃষ্টি হয়।
৭ ) মজলিস সমূহ বিদ্যমান বিভিন্ন শিল্পকর্মে দক্ষলোক ও ব্যবসায়ীদের তথ্য কেন্দ্রে পাঠাবেন।
৮ ) যে সব স্থানে কোন টেকনিকেল ট্রেনিং সেন্টার আছে মজলিস সমূহ এসব প্রতিষ্ঠানের বিস্তারিত তথ্য কেন্দ্রকে অবগত করবে। যেমন প্রতিষ্ঠানের পূর্ণ ঠিকানা, কি কি কোর্স এখানে করানো হয়, প্রত্যেক কোর্সের ব্যপ্তি কতদিন, মান কেমন, ভর্তি কখন নেয়া হয়, এতে কি কি সুযোগ সুবিধা রয়েছে ইত্যাদি। এসব তথ্য নিজেদের খোদ্দামদেরও জানানো হোক।
৯ ) মজলিস খোদ্দামদের এমন শিল্প কৌশল যা ঘরোয়াভাবে সহজে ব্যবহার হতে পারে শিখান। যেমন শীতের সময় গাজরের মুরব্বা, আচার এবং টমেটোর আচার ইত্যাদি তৈরি করা যেতে পারে। সাইকেল মেরামত, চেয়ার বানানো ইত্যাদি। টাইপ, সর্টহ্যান্ডত, কম্পিউটার ট্রেনিং খোদ্দামের জন্য উপকারী।
১০ ) বাৎসরিক প্রদশর্নীর জন্য খোদ্দামদের দ্বারা নতুন ও মান সম্মত জিনিষ তৈরী করান। যে জেলা সমূহ গত প্রদশর্নীতে শামিল হতে পারেনি তারাও যেন বিশেষভাবে চেষ্টা করে এবছর ভালভাবে প্রতিনিধিত্ব করায়। কেন্দ্রীয় শিল্প প্রদর্শনীতে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো হবে ইলেক্ট্রোনিঙ্, কম্পিউটার, পেইনটিং ও কেলিগ্রাফী, মডেল, হ্যান্ডিক্রাফস ইত্যাদি।