তাহরীক-ই-জাদীদ

সংক্ষেপে তাহরীক-ই-জাদীদ (The New Scheme) বিভাগের দায়িত্বঃ

১) ১০০ ভাগ খোদ্দাম ও আতফালকে এই মুবারকমন্ডিত তাহরীকে শামিল করতে হবে।
২) চেষ্টা করতে হবে ওয়াদা সমূহের পরিমানটা যেন মানসম্মত হয়। এক সময় আয়কারীদের জন্য একমাসের আয়ের ২০% নির্ধারিত ছিল। এখন তা উন্মুক্ত করে দেওয়া হলেও আমাদের ঐ বিষয়টিকে লক্ষ্য রেখে বেশী বেশী ওয়াদা লিখানো ও আদায় করা উচিত।
৩) এটাও চেষ্টা করতে হবে যে, আর্থিক সামর্থ্যবান সদস্যরা যেন “মুয়াবীন খুমুসী” (বিশেষ সাহায্যকারী) মুজাহীদিনদের তালিকাভুক্ত হতে পারে। (যাদের ওয়াদা ৫০০ টাকা বা তার চেয়ে বেশি তাদেরকে “মুয়াবিন খুমুসী” বলা হয়)।
৪) যে মজলিস নিজেদের শতভাগ খোদ্দামকে এ তাহরীকে শামিল করে তাদের ওয়াদার তালিকা প্রেরণ করবে তাদের নাম দোয়ার উদ্দেশ্যে ছাপানোর জন্য প্রেরণ করা হবে।

বর্তমানে তাহরীকে জাদীদের চাঁদার কোন নির্ধারিত হার নেই। তবে আবাল-বৃদ্ধ বণিতা প্রত্যেকের সাধ্যানুযায়ী অংশ গ্রহণ করতে হবে। যারা রুজী-রোজগার করে তাদেরকে মাসিক আয়ের একটি বিশেষ অংশ এ খাতে সারা বছর আদায় করা উচিত। হযরত খলীফাতুল মসীহ সানী (রা.) বলেন, “এ তাহরীকের উদ্দেশ্য সাময়িক নয়। সেই সময় আসছে যখন আমাদেরকে সারা দুনিয়ার বিরুদ্ধবাদীদের সাথে সংগ্রাম করতে হবে। আমাদের কর্মসূচী আমরা নিজেরা তৈরী করি নি বরং আমাদের কর্মসূচী আমদের সৃষ্টিকর্তা প্রণয়ন করেছেন ” (আল্‌ ফযল ৩/১২/১৯৩৫)।

৫) তাহরীকে জাদীদের আর্থিক জিহাদে অংশ গ্রহনের সাথে সাথে খোদ্দাম ভাইদেরকে তাহরীকে জাদীদের একটি মুতালেবাত জানা এবং অবস্থানুযায়ী এর উপর আমল করা আবশ্যক। দু’টি গুরুত্বপূর্ণ মোতালেবাতের দিকে দৃষ্টি দেয়ার তাহরীক করা যাচ্ছে। (ক) সাদাসিধে জীবন যাপণ এবং (খ) ওয়াকফে জিন্দেগী।