Menu

ইমাম মাহ্‌দী (আঃ)-এর সত্যতার প্রমাণ

৫। দাবী-কারকের ব্যক্তি-চরিত্র এবং ‘তাকওয়া’ ভিত্তিক প্রমাণঃ

ক. দাবী-কারকের সত্যতা নিরূপণের অন্যতম মাপকাঠি হিসেবে দাবীর পূর্বেকার জীবনের পবিত্রতা, সত্যবাদিতা এবং সাধূতার সাক্ষ্য-প্রমাণের কথা পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে। (সূরা ইউনুসঃ ১৭)
খ. হযরত মির্যা সাহেবের দাবীর পূর্ববর্তী জীবন কিরূপ ছিল সে সম্বন্ধে তাঁর ঘোরতর বিরুদ্ধবাদী মৌলবী মুহাম্মদ হুসেন বাটালবী সাহেব লিখেছেন, মির্যা সাহেব মুহাম্মদী শরীয়াতে দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত এবং পরহেযগার ও মুত্তাকী। (ইশয়াতুস সুন্নাহ, ৬ষ্ঠ বর্ষ, ৯ম সংখ্যা)
গ. সমকালীন পত্রিকার মন্তব্য প্রণিধান যোগ্যঃ ‘চরিত্রের দিক দিয়ে মির্যা সাহেবের সমগ্র জীবনে ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র কালিমার চিহ্নও পরিলক্ষিত হয় না। তিনি এক পরম পবিত্র ও মুত্তাকী জীবন যাপন করেছেন’ (অমৃতসর থেকে প্রাকাশিত ‘উকিল’ ৩১ মে, ১৯০৮ইং)
ঘ. হযরত মির্যা সাহেব (আঃ) ঘোষণা করেছেন,

‘কে আছে যে আমার জীবনীতে কোন দোষ-ত্রুটি বের করতে পারে’? (তাযকেরাতুশ শাহাদাতায়ন)

ঙ. হযরত মির্যা গোলাম আহ্‌মদ ইমাম মাহ্‌দী (আঃ) তাঁর দাবীর সত্যতা অনুধাবন করার জন্য একটি সহজ পন্থা হিসেবে ‘ইস্তেখারা’ দোয়ার প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করতঃ সকলের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন (‘নিশানে আসমানী’ পুস্তক, প্রকাশকাল ১৮৯২ইং)। আল্লাহ্‌ তা’আলার বিশেষ অনুগ্রহ এবং কল্যাণে শত-সহস্র লোক ইস্তেখারার মাধ্যমে আহ্‌মদীয়া জামাতের প্রতিষ্ঠাতার দাবীর সত্যতার স্বপক্ষে সন্দেহাতীত প্রমাণ পেয়ে আহ্‌মদীয়া জামাতে বয়আত গ্রহণ করেছেন।

Pages: 1 2 3 4 5 6 7